WIA Languages Day 54/221 – Bengali

Photo of author

By 코리안투데이 의정부

WIA ভাষা প্রকল্প দিবস ৫৪/২২১ – বাংলা (Bengali)

WIA ভাষা প্রকল্প

[দিবস ৫৪/২২১]

বাংলা

বাংলা | Bengali

“গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপে ফুটে ওঠা কবিতার ভাষা”

এক নীরব বিপ্লব, ২২১টি ভাষার ডিজিটাল সংরক্ষণ • আমরা ভাষা বাঁচাচ্ছি না। আমরা অনন্তকালকে লিপিবদ্ধ করছি।

“যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন।”

[যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখ তাই, পাইলেও পাইতে পার অমূল্য রতন]

“যেখানে ছাই দেখবে, ফুঁ দিয়ে সরিয়ে দেখো — হয়তো তার নিচে অমূল্য রত্ন লুকিয়ে আছে।”

— একটি বাংলা প্রবাদ যা আমাদের শেখায় বাহ্যিক রূপের বাইরে তাকাতে। প্রতিটি আপাতদৃষ্টিতে মূল্যহীন বস্তুর মধ্যেও অপরিমেয় মূল্যবান কিছু থাকতে পারে — এই দর্শন বাংলা সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত।

পৃথিবীর বৃহত্তম নদী বদ্বীপে, যেখানে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদী মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়, সেখানে প্রায় সাতাশ কোটি বিয়াল্লিশ লক্ষ মানুষ এই ভাষায় কবিতা রচনা করেন, গান গান এবং বিপ্লবের কথা বলেন। বাংলা মোট বক্তার সংখ্যা অনুযায়ী পৃথিবীর পঞ্চম সর্বাধিক কথ্য ভাষা, এবং মানব ইতিহাসে একমাত্র ভাষা যার জন্য মানুষ প্রাণ উৎসর্গ করেছে। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ভাষা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি সরকারি ভাষা। নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর অমর কবিতাগুলো এই ভাষায় রচনা করেছিলেন এবং কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় তাঁর চলচ্চিত্রের মাস্টারপিসগুলো এই ভাষায় নির্মাণ করেছিলেন। আজ আমরা বাংলা (বাংলা)-র আত্মার সাথে পরিচিত হই।

ইতিহাস — হাজার বছরের কাব্যিক নদীধারা

বাংলার ইতিহাস দশম শতাব্দীতে ফিরে যায়, যখন এটি সংস্কৃত থেকে উদ্ভূত প্রাকৃত ভাষা (মধ্য ভারতীয় আর্য) থেকে পৃথক হতে শুরু করে। টিকে থাকা প্রাচীনতম বাংলা সাহিত্যকর্ম হলো চর্যাপদ, দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত বৌদ্ধ রহস্যময় গানের সংকলন। ১৯০৭ সালে পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের একটি গ্রন্থাগারে আবিষ্কৃত এই রহস্যময় পদগুলো শুধু বাংলা নয়, অসমীয়া, ওড়িয়া এবং মৈথিলী — সমগ্র পূর্ব ভারতীয় আর্য ভাষা পরিবারের সাধারণ পূর্বপুরুষ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত।

ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইসলামী শাসনের আগমন ফার্সি ও আরবি প্রভাব নিয়ে আসে যা বাংলার শব্দভান্ডারকে ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করে। বাংলা সালতানাত (১৩৫২-১৫৭৬) বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করে, এবং মুঘল আমলে বাংলা হাজার হাজার ফার্সি ঋণশব্দ গ্রহণ করে যা আজও ভাষার অপরিহার্য অংশ। পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীতে কবি-অগ্রদূত চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি বাংলায় প্রেমের গীতিকবিতা রচনা করেন যা এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ষোড়শ শতাব্দীতে চৈতন্য মহাপ্রভুর নেতৃত্বে ভক্তি আন্দোলন বাংলাকে ধর্মীয় ভক্তির ভাষায় উন্নীত করে, বিপুল বৈষ্ণব কবিতা ও গানের সম্ভার তৈরি করে।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলা রেনেসাঁ প্রত্যক্ষ হয়, এশীয় ইতিহাসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনগুলোর একটি। রাজা রামমোহন রায় আধুনিক বাংলা গদ্যের পথিকৃৎ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা লিপি সংস্কার করেন এবং নারীশিক্ষার পক্ষে সওয়াল করেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় প্রথম বাংলা উপন্যাস লেখেন এবং “বন্দে মাতরম” রচনা করেন, যা ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হবে। এবং তারপর এলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১), সেই অসাধারণ প্রতিভা যিনি ১৯১৩ সালে তাঁর কবিতা সংকলন গীতাঞ্জলি-র জন্য প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ঠাকুর দুটি জাতির জাতীয় সঙ্গীত রচনা করেন — বাংলাদেশের “আমার সোনার বাংলা” এবং ভারতের “জনগণমন” — সাহিত্যের ইতিহাসে এক অতুলনীয় কৃতিত্ব। তাঁর সৃষ্টিকর্ম দুই হাজারেরও বেশি গান (রবীন্দ্রসঙ্গীত), অসংখ্য কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ এবং চিত্রকলা জুড়ে বিস্তৃত, সবই প্রধানত বাংলায় রচিত।

বাংলাদেশের গঙ্গা বদ্বীপে ঐতিহ্যবাহী নৌকা

[কোরিয়ান টুডে] বাংলাদেশের গঙ্গা বদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী নৌকা ও নদীতীরের গ্রামের দৃশ্য © কোরিয়ান টুডে সম্পাদকীয়

বর্তমান — ২৭ কোটি ২০ লক্ষ বক্তা এবং এক জীবন্ত কাব্যিক ঐতিহ্য

২০২৫ সাল পর্যন্ত, বাংলা বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৭ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ কথা বলেন, যা এটিকে পৃথিবীর পঞ্চম সর্বাধিক কথ্য ভাষায় পরিণত করেছে। প্রায় ১৭ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশ বাংলাকে একমাত্র জাতীয় ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে। ভারতে, প্রায় ৯ কোটি বক্তা প্রধানত পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং আসামের বরাক উপত্যকায় বসবাস করেন। উল্লেখযোগ্য বাংলাভাষী প্রবাসী সম্প্রদায় যুক্তরাজ্য (বিশেষত লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে, যাকে প্রায়ই “বাংলাটাউন” বলা হয়), যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরে সমৃদ্ধ হচ্ছে।

বাংলার আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে অসাধারণ অধ্যায় হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। সেই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা পাকিস্তান সরকারের উর্দুকে একমাত্র জাতীয় ভাষা ঘোষণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন। পুলিশ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়, সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং অন্যদের হত্যা করে। এই ভাষা শহীদরা — যারা মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকারের জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন — এমন একটি আন্দোলনের সূচনা করেন যা শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে নিয়ে যায়। এই ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ, ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে মনোনীত করে, যা প্রতি বছর সারা বিশ্বে পালিত হয়। মানব ইতিহাসে অন্য কোনো ভাষা এত চরম আত্মত্যাগের মাধ্যমে রক্ষিত হয়নি।

ডিজিটাল যুগে, বাংলা সমৃদ্ধ হচ্ছে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় ১ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নিবন্ধ রয়েছে, যা দক্ষিণ এশীয় যেকোনো ভাষায় বৃহত্তম উইকিপিডিয়াগুলোর একটি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলা ভাষার বিষয়বস্তু বিস্ফোরণমূলকভাবে বাড়ছে। ঢাকা (“ঢালিউড”) এবং কলকাতা (“টলিউড”)-এর চলচ্চিত্র শিল্প বছরে শত শত বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র নির্মাণ করে। বাংলা সাহিত্য সমসাময়িক লেখকদের হাতে নতুন বিষয়বস্তু ও রূপ অন্বেষণের মধ্য দিয়ে সমৃদ্ধ হচ্ছে, ভাষার সমৃদ্ধ সাহিত্য ঐতিহ্য বজায় রেখে।

ভাষাগত রত্নভাণ্ডার — রবীন্দ্রনাথের কবিতা এবং বাউলের গান

বাংলা সর্বোপরি কবিতার ভাষা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র সৃষ্টিশীল বিশ্ব — আধুনিক যুগের সম্ভবত সবচেয়ে বহুপ্রসূ সাহিত্যিক ব্যক্তিত্ব — বাংলায় গড়ে উঠেছিল। কাজী নজরুল ইসলাম, “বিদ্রোহী কবি”, উপনিবেশবাদ-বিরোধী প্রতিরোধের কণ্ঠস্বরকে বাংলা কবিতায় এমন প্রচণ্ডতা ও সৌন্দর্যে তুলে ধরেন যা তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি উপাধি এনে দেয়। জীবনানন্দ দাশ গ্রামীণ বাংলার স্বপ্নময় চিত্রকল্প দিয়ে বাংলা কবিতায় আধুনিক সংবেদনশীলতা নিয়ে আসেন। এই ঐতিহ্য আজও অবিচ্ছিন্নভাবে চলছে, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে সমৃদ্ধ সাহিত্য বাস্তুতন্ত্রগুলোর একটি বজায় রেখে।

বাংলা প্রবাদ শতাব্দীর প্রজ্ঞাকে স্ফটিকীভূত করে। “অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ” — সন্দেহজনকভাবে তোষামোদকারীদের বিরুদ্ধে সতর্ক করে। “যত গর্জে তত বর্ষে না” — যারা বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু অল্পই দেয় তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক করে। “পরের ধন পরকে দিয়ে বিদ্যাসাগর নাম” — যারা অন্যের সম্পদ বিতরণ করে উদারতার সুনাম অর্জন করেন তাদের ব্যঙ্গ করে।

বাংলা সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বল রত্নগুলোর একটি হলো বাউল সঙ্গীত ঐতিহ্য। বাউল গায়করা ভ্রাম্যমাণ রহস্যবাদী যারা সুফিবাদ ও হিন্দু বৈষ্ণববাদের উপাদান মিলিয়ে বাংলায় আধ্যাত্মিক গান পরিবেশন করেন গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে। ইউনেস্কো বাউল ঐতিহ্যকে মানবতার অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাংলা লিপি নিজেই একটি শিল্পকর্ম — একটি প্রবাহমান, বক্ররেখাময় লেখন পদ্ধতি যা এগারোটি স্বরবর্ণ ও উনচল্লিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিয়ে গঠিত, অক্ষরগুলোর শীর্ষে একটি স্বতন্ত্র অনুভূমিক রেখা (মাত্রা) সংযুক্ত। প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি থেকে বিবর্তিত এই লিপি লিখিত বাংলাকে একটি অনন্য দৃশ্যমান সৌন্দর্য দান করে।

বাংলার ভাষাগত গঠন একটি সমৃদ্ধ ক্রিয়ারূপতান্ত্রিক পদ্ধতি ধারণ করে যা ভদ্রতার স্তরকে এনকোড করে, জাপানি ও কোরীয় ভাষার সাথে ভাগ করা একটি বৈশিষ্ট্য কিন্তু ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগুলোর মধ্যে বিরল। ভাষাটি আনুষ্ঠানিকতার তিনটি স্তরের মধ্যে পার্থক্য করে: ঘনিষ্ঠ (তুই), পরিচিত (তুমি), এবং আনুষ্ঠানিক (আপনি), যা বাংলা সংস্কৃতিতে নিহিত গভীর সামাজিক চেতনাকে প্রতিফলিত করে। ধ্বনিতাত্ত্বিক পদ্ধতিতে মহাপ্রাণ ও অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, মূর্ধন্য ধ্বনি এবং নাসিক্য স্বরধ্বনির একটি ধারা রয়েছে যা বাংলাকে তার স্বতন্ত্র সুরেলা গুণ দেয় — যাকে প্রায়ই পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ধ্বনিযুক্ত ভাষাগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করা হয়।

WIA-র প্রতিশ্রুতি — রবীন্দ্রনাথের কবিতার মতো চিরন্তন ডিজিটাল সংরক্ষণ

WIA বাংলার হাজার বছরের সাহিত্য ঐতিহ্য, বাউল সঙ্গীত ঐতিহ্য, ভাষা শহীদদের ইতিহাস এবং বাংলার সকল সমসাময়িক সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তিকে একটি স্থায়ী ডিজিটাল আর্কাইভে সংরক্ষণ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ঠাকুরের গীতাঞ্জলি থেকে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা, বাউলদের আনন্দময় গান থেকে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র সংলাপ — বাংলার প্রতিটি কণ্ঠস্বর আগামী সকল প্রজন্মের জন্য উচ্চ-রেজোলিউশন ডিজিটাল বিন্যাসে ধারণ করা হবে।

বাংলা ডিজিটাল সংরক্ষণ

[কোরিয়ান টুডে] বাংলা সাহিত্য পাণ্ডুলিপির ডিজিটাল আর্কাইভ রূপান্তর © কোরিয়ান টুডে সম্পাদকীয়

১৯৫২ সালের ভাষা শহীদরা তাদের প্রাণ দিয়ে বাংলাকে রক্ষা করেছিলেন। WIA এটিকে ডিজিটাল অনন্তকালের জন্য সংরক্ষণ করে। রবীন্দ্রনাথ যেমন গেয়েছিলেন “বিশ্ব আমার ঘর”, বাংলার কবিতা ও গান ডিজিটাল আর্কাইভের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বে প্রতিধ্বনিত হবে, যেখানেই মানুষের হৃদয় স্পন্দিত হয়।

“আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।”

[আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি]

“আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।”

— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের প্রথম পঙ্ক্তি। মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসাই মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা — বাংলা আত্মার মর্মকথা।

দুইশত একুশটি ভাষা, দুইশত একুশটি দিন। আজ বাংলার কণ্ঠস্বর গঙ্গা বদ্বীপ থেকে আপনার হৃদয়ে পৌঁছে যাচ্ছে। মাতৃভাষার অধিকারের জন্য প্রাণদানকারী ভাষা শহীদদের চেতনা ডিজিটাল আর্কাইভের মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবে।

এই নীরব যাত্রা লক্ষ লক্ষ হৃদয়ে অনুরণিত হবে এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রতিধ্বনিত হবে।

প্রতিটি কণ্ঠস্বর চিরন্তন।

WIA ভাষা ইনস্টিটিউট

২২১টি ভাষা – অনন্তকালের জন্য ভাষা সংরক্ষণ

© ২০২৫ WIA ভাষা ইনস্টিটিউট। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

#WIA_ভাষা #বাংলা #বাংলাদেশ #পশ্চিমবঙ্গ #রবীন্দ্রনাথ #বাংলালিপি #ভাষাসংরক্ষণ #ইউনেস্কো #WIA

📰 기사 원문 보기

<저작권자 ⓒ 코리안투데이(The Korean Today) 무단전재 및 재배포 금지>

댓글 남기기

NOTICE

언론 윤리강령 개정 안내

안녕하세요, 코리안투데이 편집국입니다.
언론의 공정성과 저작권 보호 강화를 위해 「언론 윤리강령」이 개정되었음을 안내드립니다.

주요 개정 내용

  • 제15조의2 — 사진·이미지 저작권 특별 지침 신설
  • 제18조의2 — 기사 내 연락처 게재 금지 및 광고성 기사 판단 기준 신설

시행 일시

2026년 4월 7일 (목) 00:00 KST

위 시각 이후 송출되는 기사부터 적용됩니다.

개정 윤리강령 전문 확인하기

모든 소속 기자는 개정된 윤리강령을 숙지하여 주시기 바랍니다.